মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

জবই বিল ও ব্রিজ

 

অবস্থান:

জবই বিল নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন-শিরন্টী, পাতাড়ী, গোয়ালা ও আইহাই এর মধ্যে অবস্থিত।

 

আয়তন:

        প্রকল্পটি সরকারী ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত যার আয়তন৪০৩ হেক্টর যা বর্ষাকালে কয়েকগুন বৃদ্ধি পেয়ে বিরাটাকারের জলাশয়ে পরিনত হয়।

 

পটভূমি:

        ১৯৯৮ সালে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাপাহার আশ্রয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করার সময় এ উপজেলা হতদরিদ্র মৎসজীবীদের দু:খ দুর্দশা লাঘবের জন্য‍ “ জবই বিল মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্প” গ্রহনের খোষনা গ্রহন করেন পরবর্তীতে জুলাই ১৯৯৯ হতে জুন, ২০০৪ পযর্ন্ত ৪.৬৫ কোটি টাকা  ব্যয় সম্বলিত প্রকল্পটি বাস্তায়িত হয়। জবই বিল উন্নত ব্যবস্থাপনার নিমিত্তে ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জেলা প্রশাসক, নওগাঁ এবং মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, নওগাঁ ২০২০ সাল পযর্ন্ত বিলটি মৎস্য অধিদপ্তরকে ব্যবহারের জন্য ০৫/০৩/২০০০ তারিথে সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষর করেন। পাঁচ বৎসর অন্তর সময়সীমা নবায়নযোগ্য। জুন,২০০৪ প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর বিলটি মৎস্যজীবীদের ব্যবহারের নিমিত্ত অধিকার পত্র হস্তান্তর করা হয়।

 

সদস্য সংখ্যা:

     ৭৯৯ জন, সকলেই মৎস্যজীবী।

গ্রুপ: ২০টি

প্রতিনিধি: প্রত্যেক গ্রুপ থেকে ২জন করে মোট ৪০ জন।

উপজেলা পরিচালনা কমিটি: (অর্ন্তবর্তী কমিটি)

১। মাননীয় সংসদ সদস্য                     প্রধান উপদেষ্টা

২। উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান  উপদেষ্টা

৩। উপজেলা নিবার্হী অফিসার            আহবায়ক 

৪। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা              সদস্য

৫। অফিসার ইন চার্জ সাপাহার থানা       সদস্য 

৬। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা            সদস্য

৭। গন্যমান্য ব্যাক্তি ২ জন              সদস্য

৮। মৎস্যজীবী প্রতিনিধি ৯ জন                সদস্য

৯। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা             সদস্য সচিব

সমিতির ব্যাংক স্থিতি ১২,১১,০০০/- (বার লক্ষ এগারো হাজার) টাকা

আহরিত মাছের বাৎসরিক আনুমানিক মুল্য-১.৫-২.০০ কোটি টাকা

 

বিনোদন স্থান হিসাবে ব্যবহার:

বর্ষা কালে বিলটির আকাঁর প্রায় ৮-৯ কিলোমিটার হয় এবং বিলটির মাঝখানে ব্রিজ থাকায় ব্রিজের দুই পার্শ্বে সমুদ্র  সৈকতের মত দৃশ্য ফুটে উঠে সেই সময় দুরদুরান্ত থেকে লোকজন এসে বিলের দৃশ্য উপভোগ করে।

সমস্যা:

     গভীরতা কম হওয়ার কারনে শুষ্ক মৌসুমে বিলটি শুখিয়ে যায় ফলে বিভিন্ন প্রজাতি দেশিয় মাছ সংরক্ষন করা সম্ভব হয়না।বিলটির প্রবেশ পথ দুইটি এবং নিরগমন পথ একটি এই তিনটি পথে প্রয়োজনীয় ফিসনেটের অভাবে বর্ষাকালে বিলের মাছ সংরক্ষনে সমস্যা হয়।

সুপারিশ:

১। বিলের গভীরতা বৃদ্ধির জন্য খনন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে গভীর নলকুপ স্থাপনের মাধ্যমে

   পানি সরবরাহ বৃদ্ধি করা যায়।

২। বিলের প্রবেশ পথ এবং নিরগমন পথে কারিগরি বিষয় পযার্লোচনা পূবর্ক ফিসনেট স্থাপন করা

   যেতে পারে।

৩। বিলের মধ্যে কিছু অংশ বেশি গভীর করে মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে সংরক্ষন করা যেতে

   পারে।

৪। শুষ্ক মৌসুমে মৎস্যজীবীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।